ইন্ডিয়ান ভিসা আবেদনের বিস্তারিত প্রক্রিয়া! (প্রথম পর্ব)

আমাদের আজকের টিউটোরিয়ালটি হলো ইন্ডিয়ান ভিসার আবেদনের জন্য বিস্তারিত সহজ প্রক্রিয়া নিয়ে। এই টিউটোরিয়ালটি পড়ার মাধ্যমে একদম সহজে ইন্ডিয়ান ভিসার জন্য আপনি নিজে-নিজেই আবেদন করতে পারবেন। তবে হ্যাঁ, টিউটোরিয়ালটি একটু বড় হওয়ার কারণে আমরা টিউটোরিয়ালটিকে দুইভাগে ভাগ করেছি। তাই আপনাকে আজকের টিউটোরিয়ালটির বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে দুই পর্বের টিউটোরিয়াল দেখতে হবে। তো চলুন আজকে প্রথম পর্বের টিউটোরিয়ালটি দেখে নেই।

ইন্ডিয়ান ভিসার জন্য আবেদন করতে প্রথমে আপনাকে একটি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। সাইটটির লিংক – www.ivacbd.com হচ্ছে এটি। লিংকটিতে ক্লিক করে সাইটটিতে প্রবেশ করুন।
সাইটটিতে প্রবেশ করার পর ঠিক উপরের স্ক্রিনশটের মত আসবে। এখানে আপনাকে স্ক্রিনশটের মত সিলেক্টকৃত Online Visa Application Form এ ক্লিক করতে হবে।
তারপর উপরের স্ক্রিনশটের মত Online Visa Application বাটনে ক্লিক করুন।
তারপর উপরের স্ক্রিনশটের মত আপনি যে দেশ থেকে ভিসার জন্য আবেদন করতেছেন সেই দেশের নাম দিন যেমন Bangladesh। তারপর মিশন সিলেক্ট করুন। এখানে তিনটি মিশন রয়েছে প্রথমটি হলো Bangladesh-Chittagang, দ্বিতীয়টি হলো Bangladesh-Dhaka, আর তৃতীয়টি হলো Bangladesh-Rajsahi। তো আপনি এই তিনটির যেটি থেকে সেটি সিলেক্ট করুন। তারপর আপনার জাতীয়তা সিলেক্ট করুন। আপনার জন্মতারিখ দিন। ইমেইল থাকলে ইমেইল দিন। Excepted Date of arrival এর জায়গায় আবেদনের তারিখ হতে এর পরের ১৫ দিন পরের তারিখ হিসাব করে দিয়ে দিন। তারপর আপনি কোন ধরনের ভিসা পেতে চান, তা সিলেক্ট করে দিন। যেমন আমি Visa Type এর জায়গায় Tourist Visa সিলেক্ট করলাম। তারপর আপনার সেখানে যাওয়ার উদ্দেশ্য কী? তা সিলেক্ট করে দিন। তবে হ্যাঁ, মনে রাখবেন Visa Type এর উপর নির্ভর করে আপনার উদ্দেশ্য সিলেক্ট করতে হবে। যেমন আমি Purpose এ Tourism সিলেক্ট করলাম। তারপর সিকিউরিটি কোড দেখে দেখে নিচের বক্সে টাইপ করে Continue বাটনে ক্লিক করুন।
তারপর উপরের স্ক্রিনশটের মত আপনার পাসপোর্টে প্রথম যে নাম রয়েছে তা surname এবং দ্বিতীয় যে নাম রয়েছে তা given name দিন। তারপর আপনার লিঙ্গ, জন্মতারিখ, যে জেলা জন্মগ্রহণ করেছেন তার নাম, যে দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন তার নাম, আইডি কার্ড নম্বর ও ধর্ম সিলেক্ট করে দিন। আর স্ক্রিনশটের মত Visible Identification Marks এর ঘরে Nil শব্দটি লিখে দিন। তারপর আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, জাতীয়তা by birth সিলেক্ট করে দিন।
তারপর উপরের স্ক্রিনশটের মত আপনার পাসপোর্ট নম্বর, কোন জায়গা থেকে পাসপোর্ট নিয়েছেন তা উল্লেখ করুন, কত তারিখে পাসপোর্ট পেয়েছেন তা উল্লেখ করুন এবং এই পাসপোর্টের মেয়াদ কতদিন পর্যন্ত আছে তা উল্লেখ করুন। এছাড়াও আপনার আর কোনো পাসপোর্ট আছে কিনা? যদি থাকে তাহলে Yes দিন এবং না থাকলে No দিন। তারপর Save and Continue বাটনে ক্লিক করুন।
তারপর উপরের স্ক্রিনশটের মত আপনার বর্তমান এবং স্থায়ী অ্যাড্রেস দিন। তবে মনে রাখবেন স্থায়ী অ্যাড্রেসের জায়গায় অবশ্যই আপনার পাসপোর্টে যেভাবে দেওয়া আছে সেইভাবে দিবেন।
তারপর উপরের স্ক্রিনশটের মত আপনার পিতামাতার তথ্য দিতে হবে। প্রথমে পিতার নাম, জাতীয়তা, পূর্বের জাতীয়তা, যে জেলায় জন্মগ্রহণ করেছেন এবং যে দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন তা উল্লেখ করুন। একইভাবে আপনার মাতার তথ্যগুলোও পূরণ করুন। আর হ্যাঁ, অবশ্যই আপনার পাসপোর্টে আপনার পিতামাতার নাম যেভাবে দেওয়া আছে ঐভাবে দিবেন।

তারপর উপরের স্ক্রিনশটের মত আপনার বৈবাহিক অবস্থা কি? তা সিলেক্ট করে দিন। তবে হ্যাঁ, আপনার পাসপোর্টে বৈবাহিক অবস্থা যেভাবে আছে ঐভাবে দিন। আপনার দাদা-দাদি/নানা-নানি কি পাকিস্তানি? এখানে No সিলেক্ট করে দিন। তারপর আপনার পেশাগত তথ্য দিন। এখানে আপনি কোন ধরনের পেশায় নিয়োজিত আছেন, যেখানে নিয়োজিত আছেন সেটির নাম কী, কি পদে আছেন এবং সেখানের ঠিকানা দিন। তারপর আপনি কোনো বাহিনীতে কাজ করেন কিনা? তাতে কাজ করে থাকলে Yes দিন আর কাজ না করে থাকলে No দিয়ে Save and Continue বাটনে ক্লিক করুন।

আমাদের আজকের এই টিউটোরিয়ালের প্রথম পর্ব এখানেই শেষ করছি। আর বাকী অংশ আমরা দ্বিতীয় পর্বের মাধ্যমে জানবো। তাই আমাদেরকে আজকের টিউটোরিয়ালটির বিষয়বস্তু বিস্তারিতভাবে জানতে দ্বিতীয় পর্বটি দেখতে হবে। তাই দ্বিতীয় পর্বটি দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

ইন্ডিয়ান ভিসা আবেদনের বিস্তারিত প্রক্রিয়া, ইন্ডিয়ান ভিসা ফরম, ইন্ডিয়ান বিজনেস ভিসা, ইন্ডিয়ান মেডিকেল ভিসা ২০১৮, ভারতীয় ভিসা, আবেদনের নতুন নিয়ম, ইন্ডিয়ান ভিসা ফি, ভারতীয় ভিসা আবেদনের নিয়ম ২০১৭, ইন্ডিয়ান ভিসা পেতে কতদিন লাগে, ইন্ডিয়ান ভিসা ২০১৭